নিজেকে কিভাবে স্মার্ট(Smart) রাখবেন?

নিজেকে কিভাবে স্মার্ট(Smart) রাখবেন?

হ্যালো বন্ধুরা আসা করছি আপনারা ভালো আছেন। আজকের এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পাঠের পর আপনারা জেনে জাবেন  নিজেকে কিভাবে স্মার্ট(Smart) রাখবেন?

নিজেকে স্মার্ট(Smart) রাখার কয়েকটি মূল পয়েন্ট রয়েছে, যে পয়েন্টগুলোর একজন মানুষ অনুসরণ করলে আমরা তাকে এক দেখাতেই বুঝতে পারি সে স্মার্ট(Smart) নাকি আনস্মার্ট

স্মার্ট(Smart)


অনেকেই ভেবে থাকে ওর গায়ের রং ফর্সা,অর বাইক আছে ,স্মার্ট ফোন আছে, ল্যাপটপ আছে , গার্লফ্রেন্ড আছে, ও তো স্মার্ট(Smart) এটা একদমই ভুল । শুধু গায়ের রং ফর্সা, স্মার্ট ফোন, বাইক ,গার্লফ্রেন্ড এসব থাকলেই একজন মানুষ স্মার্ট(Smart) হয় না।

 নিজেকে কিভাবে স্মার্ট(Smart) রাখবেন?

তাহলে চলুন সেই মূল পয়েন্ট গুলো জেনে নেয়া যাক যে পয়েন্টগুলো আপনাকে একজন স্মার্ট(Smart) মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করে।

  1. Personal grooming (ব্যক্তিগত পরিপাটি বা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা)
  2. Attitude (ব্যবহার বা আচরণ)

নিজেকে স্মার্ট(Smart) রাখার জন্য Personal grooming (ব্যক্তিগত পরিপাটি বা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা)

Personal grooming (ব্যক্তিগত পরিপাটি বা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা) বলতে আমরা যাকে বোঝাই তা হচ্ছে- দামি পোশাক নয় বরং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা ,পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পোশাক পড়া , চুল দাড়ি কাটা ও পরিষ্কার রাখা , নখ কাটা শরীর ও মুখ থেকে দুর্গন্ধ না।

তাহলে চলুন এবার আরেকটু DEEPLY জেনে নেয়া যাক  Persolan Grooming (ব্যক্তিগত পরিষ্কার পরিছন্নতা) কি?

  1. প্রতিদিন দুইবার ব্রাশ করা।
  2. নিয়মিত চুলে শ্যাম্পু করা।
  3. হালকা ও মিষ্টি সুগন্ধি ব্যবহার করা।
  4. পরিষ্কার পোশাক পরিধান করা ।
  5. সপ্তাহে দুইবার নখ কাটা ।
  6. নিয়মিত দাড়ি কাটা এবং ট্রিম করা।

চুল ও মুখের যত্ন নেয়া

নিজেকে স্মার্ট(Smart) রাখার জন্য চুল ও মুখের যত্ন নেয়া

  1. ছেলেদের চুল ১.৫ ইঞ্চি ছোট রাখা ভালো,
  2. চুলে কোন ধরনের কালার ব্যবহার না করা,
  3. ফিমেল দের চুল অবশ্যই খুশকি এবং উকুন মুক্ত রাখতে হবে,
  4. চুলের প্রধান খাদ্য হলো তেল তাই নিয়মিত তেল দেয়ার অভ্যাস করতে হবে,

অনেকে আছে চুলে তেল দিলে মাথা ব্যথা শুরু হয় তারা সপ্তাহে 2 বার চুলে তেল দিতে পারেন এভাবে আস্তে আস্তে আপনাকে চুলে তেল দেয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

চুলে শ্যাম্পু দেয়ার সময় আমরা অনেক সময় দুই হাত দিয়ে অনেক জোরে জোরে ঘষতে থাকি এটা মুলত একটি ভুল পদ্ধতি এই সময় আমাদের চুলগুলো ছিড়ে যায়। চুলে শ্যাম্পু দেয়ার পরে আস্তে আস্তে ম্যাসেজ করতে হবে।

চুলে শ্যাম্পু দেয়ার সময় আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে আপনি কোন ধরনের শ্যাম্পু ব্যবহার করছেন, শ্যামপুর মূলত একটাই কাজ সেটা হচ্ছে খুশকি দূর করা এবং চুলকে পরিষ্কার রাখা।

বাজারে অনেক ধরনের শ্যাম্পু রয়েছে আপনার চুলের ধরন অনুযায়ী আপনাকে শ্যাম্পু নির্ধারণ করতে হবে।

যেমন আপনার যদি চুল পড়ে তাহলে আপনাকে অ্যান্টি হেয়ার ফল(Anti Hair Fall) শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। 

চুলে শ্যাম্পু করে শেষে আমাদের চুলগুলো একটু রুক্ষ ভাব চলে আসে এজন্য কন্ডিশনার ব্যবহার করতে পারেন।

স্বাস্থ্য সচেতনতা

 নিজেকে স্মার্ট(Smart) রাখার জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা

  1. পরিমিত খাবার গ্রহণ করা,
  2. সঠিক সময়ে খাবার খাওয়া ,
  3. পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা,
  4. পর্যাপ্ত পরিমান বিশ্রাম নেয়া এবং ঘুমানো।

উপরের আলোচিত বিষয় গুলো একজন মানুষকে স্মার্ট(Smart) হওয়ার বহিঃপ্রকাশ ঘটায় এবার আসা যাক Attitude (ব্যবহার বা আচরণ) আচরণ সম্পর্কে।

Attitude (ব্যবহার বা আচরণ)

আমরা সবাই জানি ব্যবহারে বংশের পরিচয়। আপনি যদি ভেবে থাকেন শুধু  Personal grooming (ব্যক্তিগত পরিপাটি বা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা) আপনার মধ্যে থাকলেই আপনি একজন স্মার্ট(Smart) ব্যক্তি তাহলে আপনার ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।

আপনার Attitude (ব্যবহার বা আচরণ) ব্যবহার কি ধরনের হওয়া উচিত সে বিষয়গুলো নিচে দেয়া হলঃ-

  1. আপনার স্থানীয় ভাষা অর্থাৎ আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলা পরিহার করতে হবে,
  2. কথা বলার সময় মামলিং অর্থাৎ (অ্যাঁ,উঁ) না করে যেটা বলছেন এক লাইনে স্পষ্ট ভাবে উচ্চারণ করুন,
  3. বড়দের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে,
  4. ছোটদের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে,
  5. সমবয়সীদের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় জানতে হবে,
  6. অপ্রয়োজনীয় এবং অপ্রাসঙ্গিক কথা এড়িয়ে যেতে হবে,
  7. কথা বলার সময় আন্তরিক হওয়া অন্তত গুরুত্বপূর্ণ এবং কথা বলার শেষে মুচকি ভাব অথবা শ্রোতার দৃষ্টি কাড়তে সামান্য হাসিমুখ রাখা,
  8. যে কোন প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে প্রশ্নটিই ভালোভাবে শুনে নেয়া এবং সেই অনুযায়ী প্রশ্নের উত্তর দেয়া,
  9. কোন প্রশ্নের উত্তর আন্দাজে না দেয়া, জানা না থাকলে আন্তরিকতার সাথে বলতে পারেন আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন,
  10. আপনি যে ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলতে চাচ্ছেন অথবা কমিউনিকেশন করতে যাচ্ছেন সেই ব্যক্তি কি আপনার সঙ্গে কথা বলতে বা কমিউনিকেশন করতে আগ্রহী কিনা বিষয়টি টেকনিকের সাথে বুঝে নেয়া।

আশা করছি এই ছোট্ট আর্টিকেলটি পড়ে আপনি ন্যূনতম হলেও ধারণা পেয়ে গেছেন স্মার্ট (Smart) থাকার জন্য বা স্মার্ট(Smart) হওয়ার জন্য কি কি বিষয় গুলোকে আপনার অন্তত গুরুত্ব দেয়া উচিত।

নিজের ব্যক্তিগত এবং প্রতিষ্ঠান উদ্দেশ্যের নিমিত্তে হলেও নিজেকে স্মার্ট(Smartরাখাটা অনেক জরুরী। 

আর আমি মনে করি আজকের এই আর্টিকেলটি যারা ভালোভাবে পড়েছেন এবং অনুসরণ করার চেষ্টা করছেন তারা অবশ্যই বিভিন্ন ধরনের চাকরি ক্ষেত্রে এবং চাকরিজীবনে অর্থাৎ চাকরিতে নিয়োজিত হওয়ার পরে Personal Grooming , Attitude এসব বিষয়ে কোনো ঝামেলায় পড়তে হবে না।

আর ও পড়তে নিচের দেয়া লিঙ্কে ক্লিক করুন-

বন্ধুরা এই ছিল, নিজেকে কিভাবে স্মার্ট(Smart) রাখবেন? বা রাখা যায় সে বিষয় নিয়ে আর্টিকেল, যদি আর্টিকেলটি পড়ে ভাল লাগে অবশ্যই আপনাদের বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করবেন এবং কমেন্ট এ আপনার মতামত জানাতে পারেন। 

আমাদের সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post